লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে ভর করে বাংলাদেশ ৪৭৮ রানের বিশাল এক লিড পেয়েছে। লিটন বিদায় নিতেই ইনিংস ঘোষণা করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তাতে আফগানিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৪৭৯, যা তাড়া করতে হলে বিশ্বরেকর্ডই গড়তে হবে দলটাকে।
লাঞ্চ বিরতির আগে বাংলাদেশ ছিল ৬ উইকেটে ৩৩৭ রানে। তখন লিড ছিল ৪৪৩ রানের। লিটন ছিলেন ৮১ রানে অপরাজিত। মেহেদী হাসান মিরাজ ছিলেন ৩৮ রানে।
লাঞ্চের পর ব্যাটিংয়ে আরও গতি আসে। প্রথমে ফিফটি পান মিরাজ। বাংলাদেশের রান তখন ৬ উইকেটে ৩৬৬। মিরাজ ৯২ বলে ফিফটি করেন। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১তম ফিফটি। তখন লিটন সেঞ্চুরির পথে ছিলেন। দুজনের জুটি ততক্ষণে এক শ রান পেরিয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশের লিডও পাঁচ শর দিকে যাচ্ছিল।
মিরাজের ফিফটির পরের ওভারেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লিটন। কায়েস আহমেদের বল তিনি পয়েন্ট অঞ্চল দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠান। এই চারেই তিন অঙ্কে পৌঁছান তিনি। ১১৫ বলে করা এই সেঞ্চুরি টেস্টে তার সপ্তম।
সেঞ্চুরির পরের ওভারেই আউট হন লিটন। সেলিমের বাউন্সারে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর বাংলাদেশ আর দেরি করেনি। দল ইনিংস ঘোষণা করে দেয়। ফলে আফগানিস্তানের সামনে বড় লক্ষ্য দাঁড়িয়ে যায়।
এই টেস্টে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করেছিল। আফগানিস্তান করেছিল ২৪০ রান। বাংলাদেশের লিড ছিল ১০৬ রানের। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ৩৬৬ রান পার করে ইনিংস ঘোষণা করে।